কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ এ ০৩:৫৮ PM
কন্টেন্ট: পাতা
বাংলাদেশ জাতীয় ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)'র এক গৌরবোজ্জদ ইতিহাস রয়েছে। ১৯২৩ সালের Indian Territorial Force (TIF) আইন পাশ হবার পর কতিপয় বিশ্ববিদ্যালয় UTC (University Training Corps) corre সিদ্ধান্ত হয়, যা ৬ নভেম্বর ১৯২৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। ১৯৪৩ সালে এর নাম পরিবর্ত করে University Officers Training Corps (UOTC) করা হয়। এরপর ২৩ মার্চ ১৯৭৯ সাল থেকে বর্তমান বিএনসিসি যাত্রা শুরু করে।
বিএনসিসি সেনা শাখা
১৯৭৯ সালে ৩ নম্বর সুন্দরবন ব্যাটালিয়নের প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই এ কলেজে বিএনসিসি'র কার্যক্রম শুরু হয়। পুরাতন বিজ্ঞান ভবনের নীচতলায় বিএনসিসি'র অফিস ও স্টোররুম হিসেবে বরাদ্দ আছে। কলেজে বিএনসিসি সেনা শাখার দুটি প্লাটুন রয়েছে। পুরুষ প্লাটুনে ৩১ জন পুরুষ ক্যাডেট এবং মহিলা প্লাটুনে ৩১ জন মহিলা ক্যাডেট নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পায়।
উদ্দেশ্য
ক) ব্যক্তিগত চারিত্রিক উন্নয়ন সাধনের মাধ্যমে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধকরণ।
খ) দেশের প্রতিরক্ষায় আগ্রহী করে তোলার উদ্দেশ্যে তরুণ-তরুণীদের সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান।
গ) শৃঙ্খলাবদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গঠন করে দুর্যোগকালীন প্রয়োজনে প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৈরিকরণ।
ঘ) বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে দ্বিতীয় সারির প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য সংগ্রহ নিশ্চিতকরণ।
৪) সশস্ত্র বাহিনীসহ সকল স্তরে নেতৃত্বদানে সক্ষম একদল তরুণ নেতৃত্ব সৃষ্টি করা।
বিএনসিসি (সেনা) পুরুষ প্লাটুনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
| ১ | ![]() |
|
বিএনসিসি (সেনা) মহিলা প্লাটুনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
| ১ | ![]() |
|